ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নে র‍্যাব-৯-এর একটি দল কর্তৃক মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে জোরালো গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। স্থানীয় সূত্র ও গোপন তথ্যের দাবি অনুযায়ী, উক্ত অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে।

গোপন সূত্রের দাবি:

উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের চকবস্তা থেকে এই বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়েছে বলে এলাকায় গুঞ্জন রয়েছে। তবে সুনির্দিষ্টভাবে স্থান ও ঠিক কতটি বস্তা বা কী পরিমাণ মাদক জব্দ করা হয়েছে, সে বিষয়ে স্থানীয় সূত্রে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে; কোনো কোনো সূত্র থেকে ৯ থেকে ১০ বস্তা গাঁজা উদ্ধারের কথা শোনা যাচ্ছে।

প্রাথমিক তথ্য:

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় র‍্যাব-৯-এর একটি চৌকস টিমের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মুখে মুখে আলোচনা চলছে। র‍্যাবের উপস্থিতি টের পাওয়ার পর পরই সংশ্লিষ্ট এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

সচেতন মহলের দাবি ও পূর্বশত্রুতার গুঞ্জন:

এই মাদক জব্দের অভিযানকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সচেতন মহলের জোরালো দাবি রয়েছে যে, এই ঘটনার তদন্ত যেন কোনোভাবেই কোনো নিরপরাধ ব্যক্তিকে ফাঁসানোর হাতিয়ার না হয়ে দাঁড়ায়। এ বিষয়ে এলাকায় আরও একটি গুরুতর গুঞ্জন রয়েছে যে, স্থানীয় কোনো এক প্রভাবশালী ব্যক্তি পূর্বশত্রুতার জেরে একই এলাকার অন্য একজনকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি বা ইন্ধন জুগিয়ে থাকতে পারে, যাদের উভয়ের বিরুদ্ধেই আদালতে অসংখ্য মামলা তদন্তাধীন বা চলমান রয়েছে।আর এইগুলোই যেন হাতিয়ার হিসেবে ব্যাবহৃত না হয়ে দোষারোপস্বরূপ নিরপরাধীকে ফাঁসানো পর্যন্ত না গড়ায়।

অভিযান পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষের প্রতি প্রত্যাশা:

সংশ্লিষ্ট এলিট ফোর্সের কোম্পানি কমান্ডার মোহাম্মদ নূরনবী তার বিভিন্ন দুঃসাহসিক অভিযানের জন্য জেলাজুড়ে একজন দক্ষ ও সাহসী অফিসার হিসেবে সুপরিচিত।রাষ্ট্রের জন্য তাঁর ত্যাগ চিরস্বরনীয় হয়ে থাকবে। এলাকার সচেতন মহলের জোরালো প্রত্যাশা, তাঁর সরাসরি হস্তক্ষেপে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ ও নিরপেক্ষ প্রাথমিক তদন্ত এই ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করে তাঁর সৎ পেশাগত দায়িত্ব এবং স্বচ্ছতার পুনঃপ্রতিফলন ঘটাবে।

আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা:

এ বিষয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রেস বিজ্ঞপ্তি বা বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সংবাদটি সম্পূর্ণভাবে গোপন সূত্র ও স্থানীয় গুঞ্জনের ওপর ভিত্তি করে প্রস্তুত করা। র‍্যাব বা অন্যান্য দায়িত্বশীল মহলের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়ার পর ঘটনার প্রকৃত সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। বিস্তারিত তথ্যের জন্য আমাদের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।