


নিজস্ব প্রতিবেদক, কসবা |
কসবায় জেঁকে বসেছে শীতের তীব্রতা। গত কয়েকদিন ধরে হিমেল হাওয়া আর ঘন কুয়াশায় জনজীবন যখন বিপর্যস্ত, ঠিক তখনই অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে উষ্ণতার পরশ ছড়িয়ে দিচ্ছেন কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. সামিউল ইসলাম।
উপজেলায় হঠাৎ করেই বেড়েছে কনকনে শীতের প্রকোপ। উত্তরের হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতা হাড়কাঁপানো মাত্রায় পৌঁছেছে। বিশেষ করে সন্ধ্যা নামার পর থেকে তাপমাত্রা দ্রুত কমতে থাকে, যা চলে সকাল পর্যন্ত। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। গরম কাপড়ের অভাবে অনেকেই খড়কুটা জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।
এই কঠিন সময়ে শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে গত কয়েকদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে বেড়াচ্ছেন ইউএনও সামিউল ইসলাম। সরকারি দাপ্তরিক কাজের ব্যস্ততা শেষে, এমনকি গভীর রাতেও তিনি কম্বল হাতে ছুটে যাচ্ছেন কসবা রেলওয়ে স্টেশন, ফুটপাত ও বিভিন্ন স্থানে। তিনি নিজেই খুঁজে খুঁজে বের করছেন প্রকৃত দুস্থ ও অসহায়দের এবং তাদের গায়ে জড়িয়ে দিচ্ছেন পরম মায়ার কম্বল।
শীতার্ত মানুষেরা জানান, “কনকনে শীতে যখন তারা কাঁপছিলেন, তখন প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই কম্বল তাদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। ইউএনও’র হাত থেকে কম্বল পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তের সুবিধাবঞ্চিত এসব মানুষ“।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সামিউল ইসলাম হয়তো এই বার্তায় দিতে চান যে, “প্রচণ্ড শীতে সাধারণ মানুষের জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে ছিন্নমূল ও বয়স্ক মানুষরা বেশি কষ্ট পাচ্ছেন। তাদের কষ্টের কথা চিন্তা করেই আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘুরে ঘুরে কম্বল বিতরণ করছি। শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”
শীতের এই তীব্র সময়ে প্রশাসনের এমন মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

