BLACK LENS 2.0

Independent OSINT Research Platform

অপরাধ, সাধারণ সংবাদ May 9, 2026

কসবার তিন লাখপীরে র‌্যাব-৯ এর অভিযান: বিপুল পরিমাণ চোরাচালানকৃত ভারতীয় পারফিউম জব্দ

🛰️ OSINT VERIFIED | 📍 GEOLOCATION ANALYSIS | 🔗 CROSS-REFERENCED SOURCE
RAB-09-COMP-COMMANDER
কসবা প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ৮ মে ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার তিন লাখপীর এলাকায় সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় প্রসাধন সামগ্রী জব্দ করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৯)। শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা এসব পণ্য পাচারের সময় চোরাচালান চক্রের দুই সদস্যকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (৮ মে ২০২৬) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানের সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ

  • জব্দকৃত পণ্য: ‘Wild Stone Code’ বডি পারফিউম
  • পরিমাণ: ৬টি কার্টন (মোট ৪২৯ পিস)
  • স্থান: তিন লাখপীর, কসবা
  • আটক: ২ জন

র‌্যাব-৯, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মো. নূরনবীর প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে এই আভিযানিক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে চোরাকারবারীদের হেফাজত থেকে ৬টি কার্টন ভর্তি মোট ৪২৯ পিস ভারতীয় ‘Wild Stone Code’ ব্র্যান্ডের বডি পারফিউম জব্দ করা হয়।

ভৌগোলিক দিক থেকে কসবা একটি সীমান্তবর্তী উপজেলা হওয়ায়, চোরাচালান চক্র দীর্ঘকাল ধরে এই রুটটিকে তাদের নিরাপদ ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহারের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে। সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পথে বিদেশি পণ্যের এই অনুপ্রবেশ স্থানীয় অর্থনীতির পাশাপাশি বৈধ বাণিজ্যিক খাতকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

“রাষ্ট্রের অর্থ পাচার রোধ, অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধ এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‌্যাব সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা ও কঠোর নজরদারির মাধ্যমে যেকোনো ধরনের রাষ্ট্রবিরোধী অর্থনৈতিক অপরাধ কঠোর হস্তে দমন করা হবে।” — মো. নূরনবী, কোম্পানি কমান্ডার, র‌্যাব-৯

এদিকে, সীমান্ত এলাকায় অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন সমন্বিত ও ধারাবাহিক তৎপরতা স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। কসবা থানা-পুলিশের নিয়মিত মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান এবং চোরাকারবার রোধে র‌্যাবের এই কঠোর ও দৃশ্যমান অবস্থানকে অত্যন্ত ইতিবাচক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছেন স্থানীয় সচেতন জনগণ। তাদের মতে, প্রশাসনিক এই নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকলে সীমান্তকেন্দ্রিক চোরাচালান ও অন্যান্য অপরাধমূলক কার্যক্রম সমূলে উৎপাটন করা সম্ভব হবে।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে কাস্টমস ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় নিয়মিত মামলা দায়ের এবং জব্দকৃত আলামত হস্তান্তরসহ পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

BLACK LENS 2.0
Enable Notifications OK No thanks