স্টাফ রিপোর্টার, কসবা | জানুয়ারি ১, ২০২৬
কসবার ত্রাস, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ওপর বর্বরোচিত হামলার অন্যতম রূপকার সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের ঘনিষ্ঠ সহচর এবং চিহ্নিত স্থানীয় সন্ত্রাসী রিফাত খাঁ-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিশেষ অভিযান “Devil Hunt Phase-2” এর আওতায় গত বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) আনুমানিক রাত ৮টার দিকে কসবার টেটুইয়া গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত রিফাত খাঁ তেতুঁইয়া গ্রামের মাখন মিয়ার ছেলে এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত।
অভিযোগের পাহাড়: জুলাই আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা ও ত্রাস
তদন্তে জানা গেছে, জুলাই বিপ্লবের সময় কসবায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে রিফাত খাঁ আন্দোলনকারীদের ওপর হামলায় সরাসরি জড়িত ছিল। সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের ক্ষমতার দাপট ব্যবহার করে সে দীর্ঘকাল ধরে কসবায় ভূমিদস্যুতা, চাঁদাবাজি এবং সাধারণ মানুষের ওপর ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছিল। এ ছাড়াও গত ১৪ ডিসেম্বর দিনের আলোতে সংঘটিত একটি বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় তার সম্পৃক্ততার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ও ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
কসবা পুলিশের চ্যালেঞ্জ ও সাহসিকতা
কসবার মতো একটি এলাকা যেখানে জুলাইয়ের গণহত্যাকারীদের হোতা আনিসুল হকের দোসরদের রাজত্ব চলে, সেখানে রিফাত খাঁ-র মতো প্রভাবশালী সন্ত্রাসীকে আইনের আওতায় আনা ছিল কসবা থানা পুলিশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। পুলিশ বছরের শেষ প্রান্তে এসে এই দুর্ধর্ষ আসামিকে গ্রেপ্তার করে তাদের সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে। স্থানীয়দের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রশাসন প্রমাণ করেছে যে অপরাধী যত শক্তিশালীই হোক না কেন, জুলাইয়ের খুনি ও তাদের সহযোগীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
এ বিষয়ে কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) রিপন দাস জানান:
“সন্ত্রাসবাদ কোনোভাবেই মাথাচাড়া দিতে পারবে না। কসবা থানা পুলিশ তাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দিয়ে যাচ্ছে যেন কোনোভাবেই সন্ত্রাসবাদ মাথাচাড়া দিতে না পারে। রিফাত খাঁ এর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট একাধিক অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
জনমনে স্বস্তি ও সিভিল সোসাইটির প্রতিক্রিয়া
রিফাত খাঁ-র গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে কসবার সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি নেমে আসে। তবে সচেতন মহল ও সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধিরা মনে করেন, রিফাত খাঁ-কে গ্রেপ্তার করা কেবল একটি শুরু মাত্র। তারা জোর দিয়ে বলেন, রিফাতের পেছনের মূল মাস্টারমাইন্ড এবং প্রশাসনের ভেতর লুকিয়ে থাকা তাদের সহযোগীদেরও বিচারের আওতায় আনতে হবে যাতে কসবায় দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।
বর্তমানে রিফাত খাঁ-কে কসবা থানায় নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তার অপরাধের সাথে জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
সত্যের সন্ধানে: Black Lens 2.0
প্রতিবেদনটি সম্পাদনা করেছেন: মোহাম্মদ মেহেদী হাসান
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ৫ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে স্থানীয় ফার্নিচার দোকান মালিক ইয়াসিন মিয়ার বিরুদ্ধে…
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় বসতভিটার জমি জবরদখল, ফলদ ও বনজ গাছ কেটে ফেলা এবং বাধা দেওয়ায়…
ফরেনসিক গোয়েন্দা বিশেষ আপডেট কেস রেফারেন্স: BD-FININT-2026-NCL-089 কসবা বর্ডার ফাইলস: স্বর্ণ ও হুন্ডি চ্যানেলের মূল…
VERIFIED FORENSIC INTELLIGENCE UPDATE CASE: BD-FININT-2026-NCL-089 THE KASBA BORDER FILES: UNMASKING THE GOLD & HUNDI…
Breaking Border Dispatch: Incident unfolds during cross-border pursuit of designated smuggler at Ashabari zero line…
সীমান্তের আশাবাড়িতে মাদক কারবারিকে ধাওয়ার মুখে ঘটনা; আটক সদস্যদের ফিরিয়ে আনতে বিজিবি-বিএসএফ জরুরি পতাকা বৈঠক…
This website uses cookies.