নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন ও সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ ‘জুলাই বীর সম্মাননা’ লাভ করেছেন দৈনিক আমার দেশের চট্টগ্রাম ব্যুরোর স্টাফ রিপোর্টার এম কে মনির। বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স (আইডিইবি) মিলনায়তনে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তার হাতে এই স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

মাঠপর্যায়ে লড়াই ও ত্যাগ
চব্বিশের গণআন্দোলন চলাকালে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে একাধিকবার হামলার শিকার হন এম কে মনির। গত বছরের ১৬ জুলাই মুরাদপুরে এবং ৪ আগস্ট নিউ মার্কেট এলাকায় তিনি সন্ত্রাসীদের টার্গেটে পরিণত হন। শারীরিক আঘাত উপেক্ষা করেও জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আহতদের নিয়ে তার উল্লেখযোগ্য ফিচার এবং সাহসী প্রতিবেদনগুলো পাঠকমহলে প্রশংসিত হয়েছে।
আয়োজনের প্রেক্ষাপট
আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ফেলানী হত্যা দিবস উপলক্ষে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে:
সারা দেশ থেকে আসা প্রায় ১,২০০ জন শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা ও সংবাদকর্মীকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
মোট ১০২ জন সাংবাদিককে ‘বার্তাবীর’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত করা হয়।
জেএএম সংস্থা ও ‘ওয়ারিয়রস অব জুলাই’ এই আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
অনুষ্ঠানের কার্যক্রম
ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক তারেক আজিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব লায়ন আসলাম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেএএম সংস্থার চেয়ারম্যান মেহরিন আনহার উজমা।
দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে ছিল:
১. শহীদ পরিবারের স্মৃতিচারণ ও আহত যোদ্ধাদের বক্তব্য।
২. জুলাই বিপ্লবের ওপর নির্মিত ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন।
৩. বিপ্লবী সংগীত ও আলোচনা সভা।
সঞ্চালনায় ছিলেন আল আমিন আটিয়া ও তাজিনুর রহমান। আয়োজক সংগঠন ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’-এর সীতাকুণ্ড শাখার আহ্বায়ক মো. মারুফ জানান, জেলা ও উপজেলা পর্যায় থেকে প্রাপ্ত তালিকার ভিত্তিতে প্রথম ধাপে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে; পরবর্তীতে দ্বিতীয় ধাপের আয়োজন করা হবে।
