কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুরে ডিবি/পুলিশের মাদক উদ্ধার অভিযানে দায়ের করা একটি মামলাকে “ষড়যন্ত্রমূলক” বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জিলানী। তিনি জিলানী পরিবহন অ্যান্ড মৎস্য আড়তের স্বত্বাধিকারী দাবি করলেও পূর্ব থেকেই স্থানীয় ও প্রশাসনের কাগজে চিহ্নিত এক মাদক ব্যাবসায়ী। তবে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার দাবি করেছেন তিনি। ব্রাহ্মণপাড়া থানায় দায়ের […]
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুরে ডিবি/পুলিশের মাদক উদ্ধার অভিযানে দায়ের করা একটি মামলাকে “ষড়যন্ত্রমূলক” বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জিলানী। তিনি জিলানী পরিবহন অ্যান্ড মৎস্য আড়তের স্বত্বাধিকারী দাবি করলেও পূর্ব থেকেই স্থানীয় ও প্রশাসনের কাগজে চিহ্নিত এক মাদক ব্যাবসায়ী। তবে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার দাবি করেছেন তিনি।
ব্রাহ্মণপাড়া থানায় দায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ জুলাই ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৩টা ২০ মিনিটে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ মাধবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি পাকা সড়কের পাশ থেকে দুটি বস্তায় মোড়ানো ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ডিবি পুলিশের এসআই (নিঃ) মো: আল আমিন বাদী হয়ে মোহাম্মদ জিলানী খাঁন (৩২) এবং মো: সোহেল প্রকাশ কালা সোহেল (২৫)-কে অভিযুক্ত করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা (মামলা নং- ৩৪) দায়ের করেন।
এজাহার অনুযায়ী, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা মাদক ফেলে পালিয়ে যায়। তবে, অভিযুক্ত মোহাম্মদ জিলানী সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি মাধবপুরে ছিলেন না, বরং তার মাছের প্রকল্পে অবস্থান করছিলেন।
তিনি বলেন, “আমি কখনো মাদকের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের চারপাশে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করলেই আসল সত্য বেরিয়ে আসবে।” উদ্ধার হওয়া গাঁজা কার ছিল এবং কীভাবে সেখানে পৌঁছালো, তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।
তবে, মামলার এজাহার পর্যালোচনা করে দেখা যায়, অভিযুক্ত জিলানীর বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণপাড়া থানায় আগেও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে অন্তত দুটি মামলা (২০২৫ ও ২০২৬ সালে দায়েরকৃত) রয়েছে বলে পুলিশ নথিতে উল্লেখ করেছে।
বর্তমান মামলার বিষয়ে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের (এডিশনাল এসপি) বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। অন্যদিকে, ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, “এটি ডিবি পুলিশের দায়ের করা মামলা। তারা মামলা রুজু করে কাগজপত্র আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। এ বিষয়ে আমাদের কাছে এর বাইরে অতিরিক্ত কোনো তথ্য নেই।”
বিস্তারিত আসছে…….. ।
