আমজাদ মাস্টার, কেয়ার টেকার ইদ্রিস, মাহমুদুল

নিজস্ব প্রতিবেদক, কসবা | ৮ জানুয়ারি, ২০২৬

ক্ষমতার দাপট, নিয়োগ বাণিজ্য আর জুলাই গণহত্যার নেপথ্য কারিগর হিসেবে অভিযুক্ত সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও পুলিশ কনস্টেবল মাহমুদুল হাসানের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেরিয়ে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর ও বিস্ফোরক তথ্য। আইনমন্ত্রীর কথিত ‘মেয়ের জামাতা’ পরিচয়ে প্রভাব খাটানো এই পুলিশ সদস্যের চারিত্রিক স্খলনের প্রমাণ এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ স্থানীয়দের মুখে মুখে।
১. সমকামিতার অভিযোগ ও ফেসবুকের সেই বিতর্কিত ছবি
অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাহমুদুল হাসান কর্মজীবনে এবং ব্যক্তিগত পরিসরে অত্যন্ত বিকৃত রুচির পরিচয় দিয়েছেন। স্থানীয় সূত্র ও তার কর্মস্থলের বিভিন্ন পরিসংখ্যান থেকে প্রাপ্ত তথ্যে উঠে এসেছে যে, তিনি সম*কামী (G**ay) প্রবণতায় লিপ্ত ছিলেন। সম্প্রতি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে অন্য এক যুবকের সাথে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং আপত্তিকর অবস্থায় (চুম্বনরত) একটি ছবি প্রকাশ্যে আসায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। একজন সুশৃঙ্খল বাহিনীর সদস্য হয়েও এমন অনৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকার বিষয়টি নিয়ে এখন তীব্র সমালোচনা চলছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেবুকে ভাইরাল হওয়া মাহমুদুল সেই বিতর্কিত ছবি


২. ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ও ক্ষমতার অপব্যবহার
স্থানীয়রা বলছেন, একদিকে মাহমুদুল হাসান এলাকায় ধার্মিক ও রাজনৈতিক নেতার ভাবমূর্তি নিয়ে চলতেন, অন্যদিকে গোপনে এমন বিকৃত জীবনযাপন করতেন। তিনি তার এই গোপন অনৈতিক সম্পর্কগুলো আড়াল করতে পুলিশের ক্ষমতা ও আইনমন্ত্রীর ছত্রছায়াকে ব্যবহার করতেন। কেউ তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্ন তুললে তাকে আইনমন্ত্রীর এপিএস আলাউদ্দিন বাবু বা কেয়ারটেকার ইদ্রিসের ভয় দেখানো হতো।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রজনতার জনরুষে পলায়নরত অবস্থায় আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের গ্রামের বাড়ির কেয়ার টেকার ও সিন্ডিকেট প্রধান ইদ্রিস।


৩. কর্মক্ষেত্রে চারিত্রিক বিচ্যুতি
মাহমুদুলের কর্মজীবনের বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তিনি বাহিনীর শৃঙ্খলা বজায় রাখার চেয়ে নিজের ব্যক্তিগত লালসা ও ক্ষমতার প্রভাব বিস্তারে বেশি মনোযোগী ছিলেন। বিশেষ করে কসবা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলে কর্মরত থাকাকালীন তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় নৈতিক অবক্ষয়ের মৌখিক অভিযোগ থাকলেও প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের কারণে কেউ মুখ খোলার সাহস পায়নি।
৪. সামাজিক অবক্ষয় ও জনরোষ
ধজনগর গ্রামের বাসিন্দারা জানান, মাহমুদুল হাসান ও তার চাচা আমজাদ মাস্টার এবং মোক্তার মেম্বারের পুরো পরিবারটিই ছিল নীতি-নৈতিকতা বিবর্জিত। সমকামিতার মতো সামাজিক ও ধর্মীয়ভাবে অগ্রহণযোগ্য কাজে যুক্ত থেকে তিনি পুরো এলাকায় একটি ভুল বার্তা দিয়েছেন। ৫ই আগস্টের পর তার এই গোপন অধ্যায়গুলো ফাঁস হতে থাকায় জনমনে ক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে।
সত্যের সন্ধানে আপোষহীন: ব্ল্যাক লেন্স ২.০ (Black Lens 2.0)

আমজাদ মাস্টার, কেয়ার টেকার ইদ্রিস, মাহমুদুল

By Blens25

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *