Social Media Monitoring Team| Black Lens 2.0
কসবা: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের রাজনীতিতে বইছে অস্থিরতার হাওয়া। বিশেষ করে দলের সাবেক সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান এবং বিকল্প প্রার্থী কবির আহমেদ ভূঁইয়ার সমর্থকদের মধ্যকার প্রকাশ্য বিরোধ এখন তুঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে দলের ভাবমূর্তি রক্ষা এবং পরিকল্পিত অপপ্রচার রুখতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কসবা উপজেলা ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃত্ব।
ফেসবুক পোস্টে ছাত্রদল নেতার কড়া বার্তা
সম্প্রতি কসবা উপজেলায় সাবেক সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের বিভিন্ন সময়ের বক্তব্যকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাটছাঁট (এডিট) করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ডিজিটাল অপপ্রচারের মাধ্যমে তৃণমূলের কর্মীদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে এলাকায় সুশিক্ষিত/নম্র ভদ্র হিসেবে পরিচিত ছাত্রদল নেতা আলাউদ্দিন আহমেদ তার ব্যক্তিগত ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্টের মাধ্যমে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি সেখানে লিখেন:
আপনারা বলেন তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, তাহলে তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করেন। মিথ্যে অপপ্রচার করে দলের ক্ষতি কেন করেন? কাটছাঁট ভিডিওতে মন্তব্য না করে সবার উচিত সম্পূর্ণ ভিডিও দেখে মন্তব্য করা।
আলাউদ্দিন আহমেদের এই পোস্টটি দ্রুতই স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ছড়িয়ে পড়ে। তিনি স্পষ্টভাবে সতর্ক করে দেন যে, দলের ভেতরে অন্তর্কোন্দল সৃষ্টি করে এবং জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে সাধারণ মানুষের কাছে বিএনপির গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট করা দলের জন্য আত্মঘাতী হবে।
বিতর্কের কেন্দ্রে কবির ভূঁইয়া ও স্বপন
উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত পূর্বের প্রার্থী মুশফিকুর রহমান ও বিকল্প প্রার্থী কবির আহমেদ ভূঁইয়ার মধ্যকার চলমান দ্বন্দ্বে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা এখন দ্বিধাবিভক্ত। স্থানীয় সাধারণ নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের অভিযোগের তীর এখন বিতর্কিত নেতা কবির ভূঁইয়া এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল হক স্বপনের দিকে। অভিযোগ উঠেছে, তাদের নানা কর্মকাণ্ড ও প্রচ্ছন্ন মদতে দলের চেইন অফ কমান্ড ভেঙে পড়ছে এবং সামাজিক মাধ্যমে জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ প্রচারণাকে উসকে দেওয়া হচ্ছে।
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা ও সত্যের সন্ধানে— Black Lens 2.0
