{"source_type":"vicut","data":{"client_key":"aw889s25wozf8s7e","source_type":"vicut","source_platform":"mobile_2","appVersion":"16.5.0","enterFrom":"new_image","os":"android","product":"vicut","editType":"image_edit","region":"BD","picture_id":"TLS24GTU-VEUO-D5I6-F6VV-J2JLO6DTANS4","pictureId":"TLS24GTU-VEUO-D5I6-F6VV-J2JLO6DTANS4","capability_name":"capcut_photo_editor"},"tiktok_developers_3p_anchor_params":"{"client_key":"aw889s25wozf8s7e","source_type":"vicut","source_platform":"mobile_2","appVersion":"16.5.0","enterFrom":"new_image","os":"android","product":"vicut","editType":"image_edit","region":"BD","picture_id":"TLS24GTU-VEUO-D5I6-F6VV-J2JLO6DTANS4","pictureId":"TLS24GTU-VEUO-D5I6-F6VV-J2JLO6DTANS4","capability_name":"capcut_photo_editor"}"}

সম্পাদকীয় | ব্ল্যাক লেন্স ২.০

কসবা/ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্যাপক নাটকীয়তা, আইনি লড়াই এবং দলীয় অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েনের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে বিএনপি’র চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন আলহাজ্ব মুশফিকুর রহমান। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের দলীয় প্যাডে স্বাক্ষরিত চূড়ান্ত পত্রে তাকেই ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের একক প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে।
১৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার বরাবর এই মনোনয়ন নিশ্চিত করা হয়।

মনোনয়ন নিয়ে ত্রিমুখী লড়াই ও বিকল্প প্রার্থীর আবির্ভাব
নির্বাচনী মাঠের নির্ভরযোগ্য সূত্র ও ব্ল্যাক লেন্স ২.০-এর অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই আসনে প্রার্থিতা নিয়ে শুরু থেকেই উত্তাপ বিরাজ করছিল। দলীয় কৌশল হিসেবে শুরুতে আলহাজ্ব মুশফিকুর রহমানের পাশাপাশি বিকল্প প্রার্থী হিসেবে কবির আহমেদ ভুঁইয়াকেও মনোনয়ন দিয়েছিল বিএনপি। তবে চূড়ান্ত মনোনয়ন কাকে দেওয়া হবে, তা নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই এলাকায় নানা গুঞ্জন ও রাজনৈতিক মেরুকরণ চলছিল।

রিট নাটক ও নেপথ্যের কারিগর
মুশফিকুর রহমানের প্রার্থিতা ঠেকাতে পর্দার আড়ালে বড় ধরনের আইনি ঘুঁটি চালাচালির অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, বিকল্প প্রার্থী কবির আহমেদ ভুঁইয়া তার নিজ দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বী মুশফিকুর রহমানের প্রার্থিতা অবৈধ ঘোষণা করার জন্য গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী জহিরুল হক চৌধুরীকে ব্যবহার করেন। জহিরুল হক চৌধুরীকে দিয়ে উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করানোর মাধ্যমে মুশফিকুর রহমানের পথ রুদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতে, নিজ দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অন্য দলের প্রার্থীকে দিয়ে রিট করানোর বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে এই আইনি বাধা ও সব জল্পনা-কল্পনা ছাপিয়ে শেষ পর্যন্ত দলের হাইকমান্ড বর্ষীয়ান নেতা মুশফিকুর রহমানের ওপরই আস্থা রাখল।

দলীয় সিদ্ধান্তের প্রভাব

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে পাঠানো পত্রে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (RPO) ১৯৭২-এর ১৬ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ২৪৬ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে মুশফিকুর রহমানকে চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রদান করা হলো। এর ফলে কবির আহমেদ ভুঁইয়ার প্রার্থিতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাচ্ছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল সাক্ষরিত অফিসিয়াল প্যাড।


এদিকে মুশফিকুর রহমানের চূড়ান্ত মনোনয়নের খবর কসবা ও আখাউড়া নির্বাচনী এলাকায় পৌঁছালে তৃণমূলের সাধারণ কর্মীদের মধ্যে চাঞ্চল্য ফিরে আসে। এখন দেখার বিষয়, অভ্যন্তরীণ এই কোন্দল কাটিয়ে উঠে ধানের শীষের এই প্রার্থী নির্বাচনী লড়াইয়ে কতটুকু সফল হতে পারেন।
তথ্যসূত্র: দলীয় অফিশিয়াল প্যাড ও ব্ল্যাক লেন্স ইনভেস্টিগেশন টিম।

By Blens25

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *