নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্ল্যাক লেন্স
জুলাই অভ্যুত্থান এবং আওয়ামী ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে প্রবাস থেকে যে কজন অকুতোভয় যোদ্ধা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন সৌদি প্রবাসী আলামিন জনি। দীর্ঘদিনের রাজপথের ত্যাগী এই নেতা বর্তমানে প্রবাসে থাকলেও দেশের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে তার কণ্ঠ ছিল সর্বদা উচ্চকিত । স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি অনুযায়ী, প্রবাসে যাওয়ার আগে তিনি দীর্ঘ সময় স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং মাঠ পর্যায়ে অসংখ্য সভা, সমাবেশ ও আন্দোলনে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছেন।
আলামিন জনি একজন একনিষ্ঠ জাতীয়তাবাদী আদর্শের সৈনিক হিসেবে ২০১১ সাল থেকে ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে নিরবচ্ছিন্নভাবে লড়াই করে আসছেন। তার সবচেয়ে বড় অবদানগুলোর একটি ছিল জুলাই অভ্যুত্থানের সেই চূড়ান্ত মুহূর্ত, যখন তার বলিষ্ঠ আহ্বানে সৌদি আরবে ‘রেমিট্যান্স শাট ডাউন’ কর্মসূচি সফলভাবে পালিত হয়, যা তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিল। প্রবাসে থেকেও তিনি এবং তার সঙ্গীরা পুলিশের ধাওয়া ও জেল-জুলুমের তোয়াক্কা না করে বিএনপির আদর্শকে সমুন্নত রেখেছেন।



সম্প্রতি আলামিন জনি তার ভেরিফাইড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি ভিডিও বার্তা আপলোড করেছেন (যা পরবর্তীতে ‘ব্ল্যাক লেন্স ২.০’ প্ল্যাটফর্মের নজরে আসে ), যেখানে তিনি কসবা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নব্য বিএনপি ও চাটুকারদের দৌরাত্ম্য নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি প্রদান করেছেন । তিনি আক্ষেপ করে বলেন, যারা গত ১৭ বছর শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে একটি শব্দও উচ্চারণ করেনি বা রাজপথে ছিল না, তারা আজ ৫ই আগস্টের পর টাকা দিয়ে বিএনপির পদ-পদবি কিনছে এবং বড় বড় পোস্টার টাঙিয়ে নেতা সেজেছে । আলামিন জনির ভাষ্যমতে, তিনি চাইলে ৫-১০ লাখ টাকা খরচ করে পদ নিতে পারতেন, কিন্তু তিনি টাকার বিনিময়ে পদের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন ।
দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, এই ‘নব্য বিএনপি’ ও দালালচক্র এখন আলামিন জনির মতো ত্যাগী নেতাদের অবদানের কথা ভুলে গিয়ে তাদের কটাক্ষ করছে এবং বিভিন্ন ফেক আইডির মাধ্যমে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে । ‘ব্ল্যাক লেন্স’-এর প্রতিবেদনে এই বার্তাই স্পষ্ট করা হয়েছে যে, যারা দুঃসময়ে দলের জন্য রক্ত ও ঘাম ঝরিয়েছেন, তাদের অবমূল্যায়ন করে চাটুকারদের প্রশ্রয় দিলে দলের অপূরণীয় ক্ষতি হবে।
——————————————————————————–


